গেমিং বিনোদনের জন্য — আয়ের বিকল্প নয়। te999 আপনার সুস্বাস্থ্য ও পরিবারের সুখের চেয়ে কোনো গেমকেই বেশি গুরুত্ব দেয় না।
অনলাইন গেমিং ও বেটিং প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য একটি বিনোদনমূলক কার্যক্রম। কিন্তু অপরিপক্ব মস্তিষ্কে এটি গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে। te999 বিশ্বাস করে শিশু ও কিশোরদের সুরক্ষা সমাজের সবচেয়ে জরুরি দায়িত্ব। তাই আমরা ১৮ বছরের নিচের কাউকে আমাদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে দিই না।
নিবন্ধনের সময় মোবাইল নম্বর যাচাই, জাতীয় পরিচয়পত্র পর্যালোচনা এবং KYC প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত করি যে প্রতিটি সদস্যের বয়স আইনত গেমিংয়ে অংশগ্রহণের জন্য যথেষ্ট। কোনো সদস্যের বয়স যাচাইয়ে ব্যর্থ হলে অ্যাকাউন্ট তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করা হয়।
অভিভাবকদের অনুরোধ করা হচ্ছে — আপনার সন্তানের ডিভাইসে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল চালু রাখুন। কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক te999 ব্যবহার করছে সন্দেহ হলে অবিলম্বে আমাদের জানান।
te999-এ গেমিং মানে বিনোদন — বিপদ নয়। কিন্তু এই বিনোদনটাকে সুস্থ রাখতে দায়িত্বশীলতা অপরিহার্য।
গেমিং আনন্দের জন্য। যখন খেলা আনন্দ না দিয়ে চাপ তৈরি করে, তখন বিরতি নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
শুধুমাত্র সেই অর্থ দিয়ে খেলুন যা হারালেও আপনার দৈনন্দিন জীবনে কোনো প্রভাব পড়বে না।
অতিরিক্ত গেমিং পরিবার ও কাজের সময় নষ্ট করতে পারে। দৈনিক একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা মেনে চলুন।
হেরে গেলে সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আবার খেলার প্রবণতা বিপজ্জনক। হারানো টাকা ফিরে পাওয়ার কোনো নিশ্চয়তা নেই।
গেমিং গোপন রাখবেন না। পরিবারের কাছে স্বচ্ছ থাকলে নিয়ন্ত্রণ রাখা সহজ হয়।
সমস্যা অনুভব করলে সাথে সাথে সাহায্য চান। সাহায্য চাওয়া সাহসের লক্ষণ, দুর্বলতার নয়।
আপনার গেমিং অভিজ্ঞতাকে সুস্থ রাখতে te999 শক্তিশালী সব সরঞ্জাম প্রদান করে।
দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক জমার সর্বোচ্চ সীমা আপনি নিজেই ঠিক করুন। একবার সেট করলে লাইভ সাপোর্টের মাধ্যমে ৭২ ঘণ্টার আগে বাড়ানো যাবে না।
প্রতিদিন কত ঘণ্টা খেলবেন তা আগেই ঠিক করুন। নির্ধারিত সময় শেষ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লগআউট হয়ে যাবেন।
১ দিন থেকে শুরু করে ১ বছর পর্যন্ত সেলফ-এক্সক্লুশন নিন। এই সময়ে কোনোভাবেই প্ল্যাটফর্মে ঢোকা যাবে না।
যদি মনে করেন গেমিং একেবারে ছেড়ে দেওয়া দরকার, তাহলে স্থায়ীভাবে অ্যাকাউন্ট বন্ধের আবেদন করুন।
নিচের প্রশ্নগুলো মনে মনে উত্তর দিন। যদি ৩টি বা তার বেশি প্রশ্নের উত্তর "হ্যাঁ" হয়, তাহলে আমাদের সাথে কথা বলুন।
গেমিং আসক্তি একটি স্বীকৃত মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা। এটি ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে এবং প্রায়ই ব্যক্তি নিজেই বুঝতে পারেন না। নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে সতর্ক হোন:
পাঁচটি সহজ ধাপে সমস্যাগ্রস্ত গেমিং থেকে বেরিয়ে আসুন। te999 প্রতিটি ধাপে আপনার সাথে থাকবে।
উপরের স্ব-মূল্যায়ন প্রশ্নগুলো পড়ুন এবং সৎভাবে নিজেকে মূল্যায়ন করুন। সমস্যা স্বীকার করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
লাইভ চ্যাট বা ইমেইলে আমাদের জানান। আমরা সম্পূর্ণ গোপনীয়তায় ও বিচার ছাড়াই আপনাকে সাহায্য করব।
সাথে সাথে জমার সীমা কমান বা সেলফ-এক্সক্লুশন চালু করুন। এটি আপনার পুনরুদ্ধারের সময় কার্যকর ঢাল হিসেবে কাজ করবে।
আপনার পরিবার বা বিশ্বস্ত বন্ধুকে বিষয়টি জানান। তাদের সহায়তা পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াকে অনেক সহজ করে দেয়।
প্রয়োজনে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বা কাউন্সেলরের সাথে কথা বলুন। বাংলাদেশে কাবা (Kaan Pete Roi) ও অন্যান্য সহায়তা সেবা পাওয়া যায়।
আমাদের বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত সাপোর্ট টিম দায়িত্বশীল গেমিং সংক্রান্ত সকল বিষয়ে সহায়তা করতে প্রস্তুত। সম্পূর্ণ গোপনীয়তায়, বাংলায়, বিচার ছাড়াই।
গেমিং একটি বিনোদন, কখনো বাধ্যবাধকতা নয়। আপনার মানসিক শান্তি ও পারিবারিক সুখ যেকোনো গেমিং জয়ের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান। te999 সবসময় আপনার সুস্বাস্থ্যকে জয়ের চেয়ে বেশি প্রাধান্য দেয়।
পরিবারের বড়দের সচেতনতা শিশুদের অনলাইন গেমিং থেকে রক্ষার সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। আপনার সন্তান যদি স্মার্টফোন বা কম্পিউটার ব্যবহার করে, তাহলে তার অনলাইন কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতন থাকুন।
te999 কঠোর বয়স যাচাইকরণ পদ্ধতি ব্যবহার করে। কিন্তু আপনার নিজের অ্যাকাউন্ট বা পেমেন্ট তথ্য সন্তানের নাগালের বাইরে রাখা আপনার নিজের দায়িত্ব। কখনো নিজের NID বা ব্যাংক তথ্য শিশুকে দেবেন না।
গেমিং নিয়ে পরিবারে লুকাছাপার সংস্কৃতি বিপদের লক্ষণ। স্বামী-স্ত্রী, বাবা-মা বা ভাই-বোনের কাছে কতটুকু গেমিং করছেন তা জানানোর অভ্যাস করুন। পারস্পরিক জবাবদিহিতা সুস্থ গেমিং অভ্যাসের ভিত্তি।
আমাদের সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে অস্বাভাবিক গেমিং আচরণ সনাক্ত করে এবং প্রয়োজনে সদস্যের সাথে যোগাযোগ করে।
নিয়মিত দায়িত্বশীল গেমিং সম্পর্কে তথ্য প্রদান, সদস্যদের মধ্যে সুস্থ গেমিং সংস্কৃতি গড়ে তোলার প্রচেষ্টা।
গেমিং ডেটা বিশ্লেষণ করে ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ চিহ্নিত করা এবং সদস্যকে সময়মতো সতর্ক করা।
সীমার মধ্যে থেকে খেলুন, আনন্দ নিন — এটাই আসল জয়। কোনো প্রশ্ন থাকলে আমরা সবসময় আছি।